জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

‘একটা নতুন ধাপ…’ নতুন জীবনের দোরগোড়ায় ছোট্ট আদি! ছেলের যাত্রার সাক্ষী হলেন মা ‘জোজো’, উদযাপন করলেন প্রাণ খুলে!

কিছু মানুষ মঞ্চে মুগ্ধকর পারফরম্যান্সের জন্য পরিচিত, আবার কিছু মানুষ তাদের জীবনের আদর্শ ও সংগ্রামের মাধ্যমে অনুপ্রেরণা দেন। জোজো এমনই একজন, যিনি শুধু তার অভিনয় দিয়ে নয়, তার ব্যক্তিগত জীবনের সংগ্রাম এবং সন্তানদের প্রতি ভালোবাসা দিয়ে বহু মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি তার ছোট ছেলের স্কুলের প্রথম দিন নিয়ে একটি মিষ্টি পোস্ট শেয়ার করেছেন, যা তার ভক্তদের মনে এক নতুন অনুভূতি তৈরি করেছে।

জোজোর বড় মেয়ে বাজো এবং ছোট পুত্র আদি—দুটি সন্তান নিয়ে তিনি একেবারে সুখী। তবে, আদি জন্মের অনেক বছর পর তাকে দত্তক নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন জোজো। এই ধরনের সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়া একান্তই তার ব্যক্তিগত বিষয়, কিন্তু তার এই অভ্যস্ত এবং সুস্থ চিন্তা-ভাবনা সাধারণ মানুষের মধ্যে অনেক সাহস ও অনুপ্রেরণা জোগায়। তার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ছোট্ট আদির সঙ্গে তার এক দৃশ্যও মুহূর্তে মুগ্ধ করেছে সবাইকে। ছোট্ট আদি আজ আর সেই ছোট্ট শিশু নেই, সে এখন স্কুলে পড়ছে, তার জীবনের একটি নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে।

ছেলের জীবনের এই নতুন যাত্রা শুরুর মুহূর্তটি জোজো সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন। পোস্টে তিনি লিখেছেন, “আজ থেকে শুরু আরেকটা নতুন ধাপ। প্রি স্কুল থেকে প্রাইমারি স্কুল, ক্লাস ওয়ান।” ছবিতে দেখা যাচ্ছে, হাসিমুখে ছেলের হাত ধরে দাঁড়িয়ে আছেন জোজো। ছোট আদি লাল রঙের জামা পরে, হাতে ব্যাগ ও বোতল নিয়ে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে রয়েছেন। জোজোর জন্য এটি এক বিশেষ মুহূর্ত, কারণ একজন মায়ের কাছে তার সন্তানের প্রথম স্কুল দিন কতটা মূল্যবান, তা নিশ্চয়ই বলা বাহুল্য।

এদিকে, দীর্ঘদিন ধরে জোজো তার স্বামী কিংশুক মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে একসাথে থাকেন না। কিংশুক তার কর্মসূত্রে পাহাড়ে থাকেন এবং সেখানে একটি হোমস্টে পরিচালনা করেন। জোজো তাদের বড় মেয়ে মেহেকার সঙ্গে যোগাযোগ রেখে ছোট্ট আদি নিয়ে থাকেন। মেহেকা বর্তমানে ব্যাঙ্গালুরুতে কর্মরত, তাই বেশিরভাগ সময় জোজোকে একাই আদি নিয়ে থাকতে হয়। তবে দত্তক নেওয়া সত্ত্বেও, আদি ও বাজোর মধ্যে কোনো ভেদাভেদ কখনও হয়নি, এবং তাদের সম্পর্ক একে অপরকে ভালোবাসায় পূর্ণ।

জোজো সবসময় চেষ্টা করেছেন তার সন্তানদের মধ্যে কোনো প্রকার ভেদাভেদ না রাখার। তাই, পারিবারিক জীবনে কখনও কোনো সমস্যা হয়নি। তার এই বন্ধন ও ভালোবাসা সমাজে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। মা হিসেবে তার এই নিষ্ঠা, একাগ্রতা এবং সন্তানদের জন্য নিঃস্বার্থ ভালোবাসা যেন আরও অনেককে অনুপ্রাণিত করে।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page